করোনাভাইরাস প্রতিরক্ষার জন্যে ভারতে 5 টি জরুরি পদক্ষেপ প্রয়োজন:

ইতি মধ্যে ভারতে করোনায় সংক্রমিত লোকের সংখ্যা 126 এর থেকেও অধিক, কিন্তু যে গতিতে এর সংখ্যা বাড়ছে তা খুবই আশঙ্কাজনক।যদি এমনি চলতে থাকে তবে হাজার হাজার মানুষ সংক্রামিত হতে পারে - যা "সম্প্রদায়ের সংক্রমণ" হিসাবে পরিচিত

0

নয়াদিল্লি: ভারত পর্যাপ্ত লোকের পরীক্ষা না করিয়ে বৃহৎ ভুল করছে, অনেক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানিয়ে দিয়েছিলেন যে কীভাবে করোনভাইরাস প্রাদুর্ভাব দুর করা যাবে, সরকার কি কি পদক্ষেপ নিয়ে করোনভাইরাসের প্রাদুর্ভাব কে সমাপ্ত করবে।

হয়তোবা এই মুহুর্তে ঘুরেবেড়া লোকজনগুলোর মধ্যেও অনেকে আক্রান্ত অবস্থায়, বিশ্বের মানুষের কাছে একটা আতঙ্কের সূচনা ঘটেছে, পাশাপাশি অসস্থির মহামারী সৃষ্টি করেছে এই করোনাভাইরাস। এই পর্যায় আমরা যদি সাবধানতা না মানি তবে আমরাও এটার স্বীকার হতে পারি।”সম্প্রদায়ের সংক্রমণ” হিসাবে এই সংক্রামিত পরীক্ষিত ব্যক্তিরা বর্তমানে আরো হাজার হাজার লোকের সংস্পর্শে এসে এটিকে বিস্তার ফেলছে।ভাইরাসটির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের দিকদিয়ে দক্ষিণ কোরিয়াকে সাফল্যমন্ডিত হিসাবে  দেখা হচ্ছে, কারণ তারা যে আশ্চর্যজনক মানুষের পরীক্ষা করেছে, ড্রাইভ-ইন টেস্ট সেন্টারগুলি সহ।

পরীক্ষা গুলি সবার করা উচিৎ, টেস্ট -এ  নেতীবাচক আসুক আর না আসুক বর্তমানে নিজের আত্মরক্ষার জন্যে করা জরুরি।ভারতকে অবিলম্বে যে পদক্ষেপগুলি নেওয়া দরকার তা এখানে:


1) বেসরকারী সংস্থাকেও পরীক্ষা করার অনুমতি দেয়াহোক। সরকার কর্তৃক ১৮৯৬ সালের আইন প্রয়োগের পরে, বেসরকারী ল্যাবগুলিকে এই পরীক্ষা চালানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যা মহামারীটি মোকাবেলার জন্য একটি চিত্র অঙ্কন করেছিল।

2) ভারত বিদেশে প্রচলিত অনেক আন্তর্জাতিক টেস্টিং কিট ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে, এইধরণের বিষয় গুলিকে এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই পরীক্ষার কিটগুলির  (উদাহরণস্বরূপ রোচে এবং অন্যদের দ্বারা) অনেকগুলি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপে ব্যবহৃত হচ্ছে।

৩) সরকারী হাসপাতালে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা লোকদের বর্তমান অনুশীলন বন্ধ করতে হবে। একটি কাতারে অপেক্ষা করার সময়, লোকেরা সম্ভাব্যভাবে একে অপরকে সংক্রামিত করছে। মানুষের ঘর থেকে অনুনাসিক সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা আবশ্যক। এর জন্য বিপুল সংখ্যক সংগ্রাহক প্রয়োজন। কেবলমাত্র বেসরকারী খাতকে অন্তর্ভুক্ত করেই ভারত এই গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবাটি সরবরাহ করতে পারে।

4) পরীক্ষা নিখরচায় করতে হবে। এটি নিশ্চিত করতে সরকারকে অবিলম্বে প্রচুর পরিমাণে তহবিল আলাদা করতে হবে।

৫) সরকারকে আক্রান্ত রোগীদের বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি করার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে। প্রকৃতপক্ষে, সরকারকে জোর দেওয়া উচিত যে বেসরকারী হাসপাতালগুলিতে বিচ্ছিন্নতা ওয়ার্ড তৈরি করাহোক, এবং করোনভাইরাস রোগীদের গ্রহণ করা উচিত।

Summary
Article Name
করোনাভাইরাস প্রতিরক্ষার জন্যে ভারতে 5 টি জরুরি পদক্ষেপ প্রয়োজন:
Description
ইতি মধ্যে ভারতে করোনায় সংক্রমিত লোকের সংখ্যা 126 এর থেকেও অধিক, কিন্তু যে গতিতে এর সংখ্যা বাড়ছে তা খুবই আশঙ্কাজনক।যদি এমনি চলতে থাকে তবে হাজার হাজার মানুষ সংক্রামিত হতে পারে - যা "সম্প্রদায়ের সংক্রমণ" হিসাবে পরিচিত
Author
Publisher Name
THE POLICY TIMES
Publisher Logo