গতরাতে জেএনইউয়ে হামলার পর মুখোশধারী দুষ্কৃতীদের মধ্যে কয়েকটাকে সনাক্ত করেছে পুলিশ। এখনো কেউ গ্রেফতার নয়:

দিল্লি পুলিশের কাছে অতিরিক্ত অভিযোগ জমা দেয়ার পরও একটি মাত্র এফআইআর দায়ের করেছে তারা। অমিত শাহ এ বিষয়ে রিপোর্ট চেয়েছেন পুলিশ প্রধানের কাছ থেকে।

0
মুখোশধারী দুষ্কৃতী/thepolicytimes
306 Views

গতরাতে জওহরলাল নেহেরু উনিভার্সিটিতে মাস্ক ম্যান আর্মড ক্যাম্পাসে ঢুকে বেধড়ক অত্যাচার করে ছাত্রদের উপর। তারা হোস্টেল প্রোপার্টিও নষ্ট করেছে। জেএনইউয় এর প্রেসিডেন্ড আয়েসী ঘোষ সহ ৩৪ জন আঘাতপ্রাপ্ত হয়।

এই ঘটনার তদন্ত্যে দিল্লী পুলিশ কাউকে এখন পর্যুন্ত ধরতে পারেনি কিন্তু মুখোশধারী কয়েকজনকে সনাক্ত করেছে। একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার পর রেশ এখন রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে। 

দিল্লি পুলিশের কাছে অতিরিক্ত অভিযোগ জমা দেয়ার পরও একটি মাত্র এফআইআর দায়ের করেছে তারা। অমিত শাহ এ বিষয়ে রিপোর্ট চেয়েছেন পুলিশ প্রধানের কাছ থেকে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের কাছে অমিত শাহ আবেদন জানিয়েছে তারা যেন  শান্তি বজায় রাখেন।

মুখোশধারী দুষ্কৃতী

মুখোশধারী  দুষ্কৃতীর এক আদমবাহিনী রবিবার রাতে জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে ছাত্র ছাত্রী শিক্ষকদের ওপর নির্মম অত্যাচার চালায়।কমপক্ষে ৩৪ জন তাদের কবলে পড়ে আহত ও ক্ষতপ্রাপ্ত হয়। দিল্লি পুলিশ মুখোশধারী দুষ্কৃতীর মধ্যে কয়েকজনকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে। একটি কড়া অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। রাতের ঘটনার রেশ এখন রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে। উত্তেজনায় এখনো থমথম। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এ বিষয়ে রিপোর্ট চেয়েছেন পুলিশ প্রধানের কাছ থেকে।পুলিশ এখন পর্যুন্ত কাউকে গ্রেফতার না করতে পারলেও, দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর অনিল বৈজলের সঙ্গেও কথা বলেছে অমিত শাহ। তিনি অনিল বৈজল কে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংযুক্ত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।ফ্যাকাল্টি সদস্য ও ছাত্র ছাত্রীদের অভিযোগ, সরকারের রাখা নিরাপত্তার পুলিশকর্মী ও সবসময় ছবি দেখা দর্শক স্তব্ধ হয় ছিল, যখন গুন্ডারা হামলা চালাচ্ছিল।তারা বলেন অত্যাচারের পর দুষ্কৃতীদের পলায়নের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছিল। 

“দিল্লি পুলিশের কাছে অতিরিক্ত হরে অভিযোগ জমা দেয়ার পরও একটি মাত্র এফআইআর দায়ের করেছে তারা”।

 

জেএনইউয়ের রেজিস্ট্রার, প্রোক্টর ও রেক্টরকে সোমবার ডেকে পাঠিয়েছে মানবাধিকার উন্নয়ন মন্ত্রকের সম্পাদক। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ৬.৩০ নাগাদ ৫০ জন দুষ্কৃতীর একটি বড়ো দোল  ক্যাম্পাসে ঢুকে পড়ে। ছাত্র ইউনিয়ন টুইটে দাবি করে দুষ্কৃতীরা ‘‘অপরিচিত এবিভিপি দুষ্কৃতী” ছাত্ররা বলছে তারা শুধুই পড়ুয়াদের নয়, পড়ুয়াদের রক্ষা করতে আসা অধ্যাপকদের উপর বেধড়ক মারধর করা হয়। ছাত্র সংসদের সহসভাপতি সাকেট মুন বলেন, গুন্ডারা শিক্ষার্থীদের ওপর নির্বিচারে আওত্তাচার করেছে। তিনি বলেন, সজ্ঞেয়ান পুলিশ মজুত থাকা সত্ত্বেও তারা কিঞ্চিৎ পরিমান প্রতিক্রিয়া দেখায়নি কেন? সজাগ পুলিশ কেন কাউকে গ্রেফতার করলোনা? অনেকে আঙুলতুলে দাবি করছে পুলিশকে।

ঘটনার পরে পরে পুলিশ  বিশ্ববিদ্যালয় গোটা চত্বরে টহল দেয় এবং নিশ্চিত করে জানায় পুরো এলাকায় আর কোনো  দুষ্কৃতী নেই। ক্ষিপ্ত জনতা বজ্র কণ্ঠে আওয়াজ তোলে, ‘‘দিল্লি পুলিশ গো ব্যাক।”

ঘটনার  রাতেই দিল্লি পুলিশের সদর দফতরের সম্মুখীন হয় প্রায় হাজারো  প্রতিবাদীরা। পড়ুয়াদেরকে ব্যাগসহ চত্বর থেকে বেরিয়ে আসতে দেখা যায়। তাদের দাবি, দুস্কৃতির ছাঁয়া এলাকা থেকে ফিরলে তবেই আমরা ফিরবো।


 

Summary
Article Name
গতরাতে জেএনইউয়ে হামলার পর মুখোশধারী দুষ্কৃতীদের মধ্যে কয়েকটাকে সনাক্ত করেছে পুলিশ। এখনো কেউ গ্রেফতার নয়:
Description
দিল্লি পুলিশের কাছে অতিরিক্ত অভিযোগ জমা দেয়ার পরও একটি মাত্র এফআইআর দায়ের করেছে তারা। অমিত শাহ এ বিষয়ে রিপোর্ট চেয়েছেন পুলিশ প্রধানের কাছ থেকে।
Author
Publisher Name
The Policy Times
Publisher Logo