জেডি (ইউ) থেকে বহিষ্কারের পর নীতীশকে প্রশান্ত কিশোরের তোপ, উন্নয়ন নিয়ে কটাক্ষ

0
জেডি (ইউ) থেকে বহিষ্কারের পর নীতীশকে প্রশান্ত কিশোরের তোপ ও কটাক্ষ
426 Views

নির্বাচনী কৌশলবিদ ও প্রাক্তন জেডিউ নেতা প্রশান্ত কিশোর দল থেকে বহিষ্কার হওয়ার পরে আজ প্রথমবারের মতো গণমাধ্যমে আসেন । পাটনার আইপ্যাকের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের সময় প্রশান্ত কিশোর বিজেপি এবং নীতীশ কুমারকে তীব্র আক্রমণ করেন এবং প্রশান্ত কিশোর, নীতীশ কুমারের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগও করেন।

বিহার বিধানসভা নির্বাচনের জন্য কোনও নতুন দল ঘোষণা করা বা জোটকে সমর্থন দেওয়ার জল্পনা চলছে নির্বাচনী কৌশলবিদ প্রশান্ত কিশোর সংবাদ সম্মেলন করে এবং এ জাতীয় কোনও সম্ভাবনা বাতিল করে দেন।প্রশান্ত কিশোরও নীতীশ কুমারের সাথে মতবিরোধের কারণ ব্যাখ্যা করে বলেছিলেন যে নীতীশকে স্পষ্ট করতে হবে, তিনি মহাত্মা গাঁধীর আদর্শ মানেন না নাথুরাম গডসের সমর্থকদের দর্শনে বিশ্বাস করেন?

আরও পড়ুন : এজিআর মামলায় সরকার ও টেলিকম সংস্থাকে ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ)-এর বিরোধিতায় বরাবর সরব প্রশান্ত। এজন্যই দলের রাজ্যসভা সদস্য পবন বর্মার পাশাপাশি প্রশান্তকেও জেডি (ইউ) থেকে বহিষ্কার করেন নীতীশ। আজ পটনায় বাত বিহার কী নামে এক প্রচার অভিযানের কথা জানান তিনি। ২০ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে তার কর্মসূচী ।

মুখ্যমন্ত্রীকে টার্গেট করে প্রশান্ত বলেছেন, নীতীশজী সবসময় বলেন, তিনি গাঁধীজি, জয়প্রকাশ নারায়ণ, লোহিয়ার আদর্শ ছাড়তে পারবেন না। তাহলে তিনি কী করে গডসের আদর্শ সমর্থনকারীদের সঙ্গে থাকতে পারেন। আপনি বিজেপির সঙ্গে থাকতে চাইলে আমার তাতে কোনও সমস্যা নেই, কিন্তু দু নৌকোয় পা দিয়ে চলা যায় না।

আরও পড়ুন: দিল্লির নির্বাচন হারার পর, বিহার এবং বাংলায় সমস্যার মুখে পড়তে পারে…

পাশাপাশি নীতীশ সরকারের উন্নয়ন মডেল সম্পর্কেও কটাক্ষ করে প্রশান্ত ২০০৫ সালে বিহার দেশের গরিবতম রাজ্য ছিল,আজও তাই আছে বলে দাবি করছেন। প্রশান্ত বলেন, গত ১৫ বছরে বিহারে উন্নয়ন হয়েছে বটে, কিন্তু তার গতি যেমনটা হওয়া উচিত ছিল, ততটা নয়। বিহারে শিক্ষার বেহাল দশা রয়েছে বলে অভিযোগ করে সেজন্য মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করে প্রশান্ত বলেন, উনি স্কুলছাত্রীদের বিনামূল্যে সাইকেল বিলি করেছেন, কিন্তু রাজ্যে শিক্ষার মান বাড়াননি।

যদিও তাঁকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে প্রশান্তের বক্তব্য, নীতীশজীর সঙ্গে আমার এখনও ভাল সম্পর্ক আছে। ওনার প্রতি আমি গভীর শ্রদ্ধাশীল। ওনার সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনও প্রশ্ন করব না।