বারাণসী আত্মহত্যা কেলেঙ্কারি পরিবারকে শেষ করার আগে ১২ পৃষ্ঠার সুইসাইড নোট:

মৃত্যুর আগে তিনি তার সন্তান ও স্ত্রী উভয়ের জন্য হোমিওপ্যাথিক ওষুধও দিয়েছিলেন।পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ১২ পৃষ্ঠার একটি সুইসাইড নোট পেয়ে...।

0
342 Views

উত্তরপ্রদেশের বারাণসী পরিবার আত্মহত্যা মামলায় ১২ পৃষ্ঠার একটি সুইসাইড নোট পাওয়া গেছে।বাস্তবে, বারাণসীর আদমপুরের নাছনি কুয়ান (মুকিমগঞ্জ) নামক জাগায়  দুই শিশু ও এক স্ত্রীকে হত্যা করার পরে ব্যবসায়ী আত্মহত্যা করেছিলেন।শুক্রবার ভোর চারটার দিকে ব্যবসায়ী তার ভয়াবহ পদক্ষেপ নেওয়ার আগে পুলিশকে ফোন করেছিলেন।মৃত্যুর আগে তিনি তার সন্তান ও স্ত্রী উভয়ের জন্য হোমিওপ্যাথিক ওষুধও দিয়েছিলেন।পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ১২ পৃষ্ঠার একটি সুইসাইড নোট পেয়েছে। যেটা  লিখেছেন ব্যবসায়ীর স্ত্রী।এছাড়াও একটি স্ট্যাম্প পেপারে লেখা একটি হলফনামা পাওয়া গেছে।এই হলফনামায় বলা হয়েছে যে মৃত্যুর পরে তার সম্পত্তি তার শ্যালককে দেওয়া হয় । যে সেই সবসময় আমাদের পরিবারকে আর্থিকভাবে সহায়তা করত।

ওই পরিবার বারাণসী শহরের আদমপুরা থানা এলাকার নাচানিকুয়া  (মুকিমগঞ্জ) -এ চেতন তুলসিয়ান পরিবারের সাথে থাকতেন।বাড়ির নীচতলায়  মা-বাবা এবং স্ত্রী রিতু,পুত্র হর্ষ (১৭) এবং কন্যা হিমাংশির (১৫) সাথে তিনি থাকতেন।ভোর চারটার দিকে ব্যবসায়ী চেতন ১১২ ডায়াল করে পুলিশকে ফোন করে বলে যে তিনি পরিবারের সাথে আত্মহত্যা  করতে যাচ্ছেন।পুলিশ তাদের বাড়িতে পৌঁছে দরজায় কড়া নাড়ে বাবাকে জিজ্ঞাসা করে , বাড়ির সবকিছু ঠিক আছে কি না, বাবা এই ব্যাপারে অবগত ছিলোনা তাই পজিটিভ উত্তর দিয়েছিলেন । তখন অফিসার চেতনের বাবাকে জিজ্ঞাসা করলেন আপনার ছেলে চেতন কোথায়? বাবা বলেছিলেন  পরিবার নিয়ে দোতালায় আছেন।পুলিশ সিঁড়িতে উপরে পৌঁছলে ছেলে ও মেয়ের মৃতদেহগুলি ঘরে পড়ে থাকা অবস্থায় দেখে । দ্বিতীয় ঘরে স্ত্রীর দেহ বিছানায় এবং স্বামীর মরদেহ ঝুলছে।



শীর্ষ কর্মকর্তাদেরও এই ঘটনা সম্পর্কে অবহিত করা হয়।কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ফরেনসিক বিভাগের দলও ঘটনাস্থলে পৌঁছয় । ঘর থেকে ১২ পৃষ্ঠার একটি সুইসাইড নোটও পাওয়া যায় । নোটে লেখা ছিল  যে ২০ বছর আগে তিনি যখন গোরক্ষপুর থেকে বিয়ে করার পরে এখানে এসেছিলেন, তখন মনে হয়েছিল যে সুখী পরিবারে বিয়ে হতে চলেছে।এখানে এসে বুঝতে পারে যে স্বামীর স্বল্প দৃষ্টির একটি অসহনীয় রোগ রয়েছে।অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বর্ণনা করা ছিল। 

সুইসাইড নোটের পাশাপাশি একটি স্ট্যাম্প পেপারে লেখা একটি হলফনামাও পাওয়া যায় । যেটা  গত মাসে ২২ জানুয়ারিতে বানানো হয়েছিল। চেতন তুলসিয়ান লিখেছেন যে মৃত্যুর পরে আমাদের সমস্ত সম্পত্তি শ্যালককে দেওয়া হয় ।শালা বরাবরই আমাদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা করে।পুলিশ সুইসাইড নোট ও হলফনামার  কেচ্ছা খতিয়ে দেখছে।

চার মাসে বারাণসী শহরে এটা দ্বিতীয় ঘটনা । এর আগে ৩০ অক্টোবর স্বামী-স্ত্রী দুই সন্তান নিয়ে হুকুলগঞ্জে এভাবেই প্রাণ দিয়েছিলেন।ওই  ঘটনারও কারণ ছিল একটি অর্থনৈতিক সমস্যা।


 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here